
সেন্ট মার্টিন দ্বীপ · বাংলাদেশ
সেন্ট মার্টিনে আপনার শান্ত আশ্রয়
নারকেল বাগানের সবুজে ঘেরা দোতলা এক আপন হোটেল — জেটি আর প্রবাল সৈকত থেকে মাত্র কয়েক মিনিটের হাঁটাপথ।
স্বাগতম
সাগরের টানে আসুন, শান্তিতে থাকুন।
বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপে, ঘাটের কাছেই সবুজ বাগানে ঘেরা হোটেল সী ইন। প্রবাল সৈকত এখান থেকে হেঁটে মাত্র পাঁচ মিনিট। আমাদের ত্রিশটি রুম আলো-হাওয়ায় ভরা, ঝকঝকে পরিষ্কার আর সাদামাটা সাজানো — সারাদিন সাগরের নোনা হাওয়া আর রোদে ঘুরে ফিরে এসে নিশ্চিন্তে বিশ্রাম নেওয়ার জায়গা।
নিচতলায় বড় বড় জানালার ধারে হাতে বোনা বেতের চেয়ার আর সোফার লাউঞ্জ, বাইরে নারকেল গাছের সারি। ওপরতলায় লম্বা ঠান্ডা করিডোর পেরিয়ে ধবধবে সাদা চাদরে মোড়া বিছানা। আর রিসেপশনে সবসময় কেউ না কেউ আছেন — কোথায় গিয়ে সূর্যাস্ত দেখবেন, সেটাও বলে দিতে।
- ৩০
- আরামদায়ক রুম
- ৫ মিনিট
- প্রবাল সৈকত হাঁটাপথ
- ৭ দিন
- প্রতিদিন রিসেপশনে ফোন, সকাল ৯টা – রাত ১০টা


রুম
ভালো ঘুমের দুই ঠিকানা
দু’জনের জন্য কিং রুম, বন্ধু বা পরিবারের জন্য টুইন রুম। দুটোই আলো-হাওয়ায় ভরা, ঝকঝকে পরিষ্কার, আর সবকিছুর কাছেই।
ছোট ছোট যত্ন
সহজ, ভাবনা-জড়ানো আরাম
আমরা সবকিছু সহজ রাখি আর ঠিকঠাক করি — যাতে আপনি ঝামেলা ভুলে দ্বীপটাকেই উপভোগ করতে পারেন।
আলো-হাওয়ায় ভরা রুম
সিলিং ফ্যান, বড় জানালা আর নরম পর্দায় রুমগুলো থাকে সতেজ আর দিনের আলোয় ভরা।
ধবধবে সাদা চাদর
প্রতিবার নতুন করে পাতা পরিষ্কার সাদা চাদর আর নরম বালিশে আপনার বিছানা তৈরি।
বেতের চেয়ারের লাউঞ্জ
রোদ-ঝলমলে লবিতে হাতে বোনা বেতের সোফা আর চেয়ার — আয়েশি সকালের জন্য।
বাগানঘেরা প্রবেশপথ
সাদা ফুল আর নারকেল গাছের মাঝ দিয়ে ঢুকলেই দ্বীপ আপনাকে স্বাগত জানায়।
সবকিছুর কাছেই
ঘাটের কাছে, আর প্রবাল সৈকতে হেঁটে যেতে মাত্র পাঁচ মিনিট।
নিরাপদ ও সুরক্ষিত
সাধারণ জায়গায় সিসি ক্যামেরা আর করিডোরজুড়ে অগ্নি-সতর্কতার ব্যবস্থা।
স্থানীয় পরামর্শ
সূর্যাস্ত দেখার জায়গা, জোয়ার-ভাটার সময়, নৌকা ভ্রমণ আর জাহাজের সময় — রিসেপশনে জিজ্ঞেস করুন।
আলো-ঝলমলে করিডোর
জানালা আর শেষ মাথায় সবুজের দৃশ্যসহ চওড়া, চকচকে করিডোর — শান্ত, পরিষ্কার আর ঠান্ডা।

দ্বীপ
বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ, ঠিক দরজার বাইরে
নারিকেল জিঞ্জিরা — নারকেলের দ্বীপ। নারকেল গাছ, পাথুরে জলাশয় আর অনেকখানি আকাশের এক ছোট্ট জগৎ। সেরা জায়গাগুলোতে হেঁটেই যাওয়া যায়।
গ্যালারি
একটু ঘুরে দেখুন
হোটেল, তার রুম, আর বাগানের গেটের ওপারের দ্বীপ।

থাকার পরিকল্পনা
জোয়ার-ভাটা কারও জন্য থামে না। আপনিও দেরি করবেন না।
তারিখ জানান, আমরা রুম ঠিক করে রাখব। ফোন করুন, মেসেজ দিন, কিংবা ছোট্ট একটা অনুসন্ধান পাঠান — আমরা দ্রুত উত্তর দিই।




